ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

সচিবালয়ের পথে ৩৫ প্রত্যাশীদের প্রতিনিধি দল

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:০৭, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
সচিবালয়ের পথে ৩৫ প্রত্যাশীদের প্রতিনিধি দল
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা পুরুষের ৩৫ ও নারীর ক্ষেত্রে ৩৭ এবং শর্ত সাপেক্ষে উন্মুক্তের দাবির বিষয়ে কথা বলতে এবার শাহবাগে থেকে সচিবালয়ে গিয়েছেন ৩৫ প্রত্যাশীদের একটি প্রতিনিধি দল।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) পৌনে ৪টায় সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে যান ৩৫ আন্দোলনের ৪-৫ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। এর আগে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৩৫ প্রত্যাশী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মো. হারুন।

হারুন বলেন, শাহবাগ থানার ওসি আমাদের সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বসার একটি ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমরা সেখানে আমাদের দাবি বিষয়ে যৌক্তিকতা উত্থাপন করব, যেন চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশে পুরুষের ৩৫ এবং নারী বয়সসীমা ৩৭ বাস্তবায়ন এবং ক্ষেত্রবিশেষে (গবেষণা, শিক্ষা, চিকিৎসা, আইসিটি, জুডিশিয়ারি) উন্মুক্ত করা হয়।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আমরা এই যৌক্তিক আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো দাবি মানা হয়নি। বরং ৩৫ এর বদলে করা হয়েছে ৩২! জানি না কাদের পরামর্শে ৩২ করা হলো? এই সরকার আমাদের সরকার, আমরা চাই তারা বিষয়টি আমলে নেবেন এবং সারা বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তারা অবিলম্বে ৩৫ বাস্তবায়ন করবেন।

এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বেলা ১১টার পর থেকে একে একে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা আড়াইটার দিকে পদযাত্রা নিয়ে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে গেলে পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হন। এক পর্যায়ে তাদের দাবির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎ করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হলে, পদযাত্রা নিয়ে শাহবাগ ত্যাগ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নেন।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। তাদের দাবির মুখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ কমিটির প্রধান সাবেক সচিব আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। তিনি জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনেরও প্রধান।

গত ১৪ অক্টোবর সচিবালয়ে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তারা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা পুরুষের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৭ বছর করার সুপারিশ করেছেন। তবে চূড়ান্ত বিচারে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কত হবে তা নির্ভর করবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। গত ২৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। ঐদিনই সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন ৩৫ প্রত্যাশী আন্দোলনকারীরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!