ঠিক কী হয়েছিল মধুরিমার সঙ্গে? তার কথায়, যে ব্যক্তি আমার শ্লীলতাহানি করতেন তিনি আমার গৃহশিক্ষক। তখন আমি খুবই ছোট।
কাঁদতে কাঁদতে মধুরিমা বলেন, আমি আর আমার ভাই একইসঙ্গে ওর কাছে পড়তাম। বহুবার সেই ব্যক্তি আমায় অশালীনভাবে শরীরের র্স্পশকাতর জায়গায় হাত দেয়ার চেষ্টা করতেন। ভাই থাকত বলে হয়ত নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে রাখত। এ রকম বেশ কয়েকবার চলার পর আমি বাবা-মাকে পুরো বিষয়টা জানাই।
.png)
সে সময় বাবা-মা’কে পাশে পেয়েছিলেন মধুরিমা। ওই ঘটনার আকস্মিকতায় এতটাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মধুরিমা যে পড়ায় মন বসাতে পারতেন না। স্কুলেও প্রভাব পড়েছিল। শিক্ষকেরা ভাবত ইচ্ছা করে পড়াশুনা করছেন না তিনি। দোষারোপ করত তাকে। ভিতরে শেষ হয়ে যাচ্ছিলেন ক্রমশই। সেই ঘটনার অভিঘাত থেকে নিজেকে মুক্ত করতেই ওড়িশা থেকে সপরিবারে দেহরাদূনে চলে যান মধুরিমা। নতুন করে জীবন শুরু করেন।