তিশা ফ্যারোর মৃত্যুর বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তার বোন অভিনেত্রী মিয়া ফ্যারো। তিনি জানিয়েছেন, বুধবার রাতে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিশা ফ্যারোর। আর তিশা ফ্যারোর ভাই জন ফ্যারো জানিয়েছেন, ভার্মন্টের রুটল্যান্ড শহরে মৃত্যু হয়েছে তার।
সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বোনের মৃত্যুর বিষয় উল্লেখ করে অভিনেত্রী মিয়া ফ্যারো লিখেছেন, ‘যদি সেখানে একটি স্বর্গ থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আমার বোন তিশা ফ্যারোকে স্বাগত জানানো হয়েছে সেখানে। আমাদের মধ্যে সেরা ছিল সে। ওর থেকে উদার ও হৃদয়বান মানুষের সঙ্গে কখনো দেখা হয়নি আমার। সে জীবনকে ভীষণ ভালোবাসতো এবং কখনো অভিযোগ করেনি, কখনো।’
.png)
১৯৭০ সালে ‘হোমার’ সিনেমার মাধ্যমে অনস্ক্রিনে ডেবিউ করেন তিশা ফ্যারো। ভিয়েতনাম যুদ্ধে প্রভাবিত উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের (ডন স্কারডিনো) গার্লফ্রেন্ডের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া লুসিও পরিচালিত অল্প বাজেটের হরর সিনেমা ‘জম্বি’-তেও (১৯৭৯) অভিনয় করেছিলেন।
এ অভিনেত্রী ‘হোমার’র পর ফরাসি-ইতালীয়-কানাডিয়ান ক্রাইম ড্রামা ‘অ্যান্ড হোপ টু ডাই’ (১৯৭২) এ জিন লুইস ট্রিনটিগ্যান্ডের সঙ্গে অভিনয় করেন। এছাড়াও ‘সাম কল ইট লাভিং’ (১৯৭৩), ‘অনলি গড নোজ’ (১৯৭৪), ‘স্ট্রেজ শ্যাডোস ইন অ্যান এম্পটি রুম’ (১৯৭৬) ও ‘সার্চ অ্যান্ড ডিস্ট্রয়’ (১৯৭৯) এবং ‘দ্য অর্ডিয়াল অফ পার্টি হার্স্ট’ ও ‘দ্য ইনিশিয়েশন অফ সারাহ’ টেলিফিল্ম তার কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
তিশা ফ্যারোর প্রকৃত নাম থেরেসা ম্যাগডালেনা ফ্যারো। ১৯৫১ সালের ২২ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্ম তার। পরিবারে সাত সন্তানের মধ্যে ছোট তিনি। তার মা ছিলেন আইরিশ অভিনেত্রী মৌরিন ও’সুরিভান। যিনি ১৯৩০ এর দশকের টারজান সিনেমার জেন নামে পরিচিত।