রোববার সকালে সৌদি আরবের রিয়াদের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রিয়াদ এলাকায় মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন।
.png)
নিহত মিজানুর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের সরদার বাড়ির সাহাব উদ্দিনের ছেলে।
মৃত্যুকালে মিজানুর স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও বৃদ্ধ বাবা রেখে গেছেন।
মিজানুরের ভাতিজা রাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত সাত বছর আগে তার চাচা মিজানুর সৌদি আরবে যান। সেখানে তিনি রিয়াদে বসবাস করে বলুদিয়া কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি ডিউটিতে যান। ডিউটি শেষে ওইদিন স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে মাইক্রোবাসে করে নিজ বাসায় ফিরছিলেন মিজানুর। পথে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে মিজানুর গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রিয়াদের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। ১৩ ফেব্ররুয়ারি সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চাচার মরদেহ বাংলাদেশে দ্রুত এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ভাতিজা রাকিব।