মিলান শহরে গতবছর শীতে তেমন তুষারপাত দেখা যায়নি। উত্তরের শহরগুলোতে গতানুগতিক তুষারপাত হয়। তবে এ বছর তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির আবহাওয়ার হালনাগাদ তথ্যে এমনটাই জানা গেছে।
শনিবার সকাল থেকেই মেঘে ঢেকে আছে আকাশ। দুপুর থেকেই শুরু হয় ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। এই বৃষ্টি সারারাত ঝরবে এমন আভাস রয়েছে আবহাওয়া অফিসের।
.png)
ইতালিতে ১২ বছর অতিবাহিত করা বাংলাদেশি দেলোয়ার হোসেন সুমন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, দ্রুত শীত আসার বিষয়টি আমরা উপভোগ করি।
আগাম শীতে কোনো সমস্যা হয় কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসলে ইতালি শীতপ্রধান দেশ। তাই এখানকার সবকিছুই পরিকল্পিত। বাসা, অফিস, বাস, ট্রাম, মেট্রো, ট্রেন সবকিছুতেই গরম বাতাসের ব্যবস্থা আছে। বাসা, অফিস, রেস্টুরেন্টে গরম পানির ব্যবস্থা আছে। তাই তেমন কোনো সমস্যা হয় না।
জীবন-যাপনে কী ধরনের প্রভাব পড়ে এমন প্রশ্নের জবাবে সুমন বলেন, বিশেষ কোনো প্রভাব পড়ে না, তবে লোকজন তুলনামূলক বাইরে কম বের হয়।
শীতে পর্যটন ঘিরে কেমন অবস্থা তৈরি হয়- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গরমের তিন-চার মাস প্রচুর পরিমাণে পর্যটকের আগমন ঘটে। সেই সুবাদে ব্যবসা-বাণিজ্যও অনেকটা বেড়ে যায়, অনেক রাত পর্যন্ত পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। রেস্টুরেন্টগুলো সরগরম থাকে।
স্থানীয় সংস্কৃতিতে শীতের প্রভাব কেমন- এমন প্রশ্নে সুমন বলেন, স্থানীয় সংস্কৃতিতে কিছুটা প্রভাব পড়ে। যেমন, গরমের সময় পার্ক এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের সমাগম বেশি থাকে, যেটা শীতের সময় কমে যায়।