কুয়েতের এই বাজারে ৮০ ভাগ ব্যবসায়ীই বাংলাদেশি
কুয়েতের মোট জনসংখ্যা ৪৮ লাখ ৫০ হাজার। প্রায় অর্ধকোটি এই জনগণের মাংসের চাহিদা মেটাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পশু-পাখি আমদানি করে থাকে দেশটি। কুয়েতের শুয়েখ, জাহারা, কাবাদ, সোলাইবিয়া ও অফরাসহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে পশুর বাজার। এসব বাজারের সবচেয়ে বড় কাবাদ অঞ্চলের পশুর হাট। আর এ বাজারের ৮০ ভাগ বিক্রেতা বা ব্যবসায়ীই এখন বাংলাদেশি।
বাজারটিতে গরু, ছাগল, উট ও দুম্বাসহ নানা জাতের পশু বিক্রয় করা হয়। এক সময় এই বাজারে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তবে শ্রম, মেধা আর অভিজ্ঞতার মধ্যদিয়ে শ্রমিক থেকে এখন তারা ব্যবসায়ী বনে গেছেন।
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর, তুরস্ক ও ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পশু-পাখি আমদানি করেন। আমদানির পর তারা দেশটির বাজারে বিক্রি করেন সেসব পশু।
রমজান মাস ও ঈদ সামনে রেখে এরই মধ্যেই পর্যাপ্ত পশু আমদানি করা হয়েছে কুয়েতে। এ কারণে বাজারে আগের চেয়ে অনেক কম মূল্যে বিক্রি হচ্ছে গরু। তবে চাহিদা বেশি থাকায় দুম্বার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
.png)
পশু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, ব্যবসা করতে হলে আগে আরবি ভাষা শেখাটা জরুরি। এরপর প্রয়োজন ব্যবসা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা। তাহলেই সামান্য পুঁজি দিয়েই সফলতা অর্জন করা সম্ভব।
তথ্য অনুযায়ী, কুয়েতে বর্তমানে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি আছেন। তাদের মধ্যে অনেক বাংলাদেশিই এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। অনেকেই নতুন করে নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঝুঁকছেন বিভিন্ন ব্যবসায়।