হাতে লেখা পাসপোর্টের কারণে তার পুরো পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ হাইকমিশন। সংবাদপত্রে প্রচারের পর তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয় হাইকমিশন।
হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) সুমন চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, তার মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কীভাবে লাশ বুঝে নেবে সে বিষয়ে তাদের জানানো হলে তারা তেমন আগ্রহ বোধ করেনি। তার মেয়ে প্রথমে জানায়, তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে লাশ গ্রহণের বিষয়ে জানানো হবে। পরবর্তীতে হাইকমিশন থেকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করছে না।
.png)
হাইকমিশন বলছে, পরিবার লাশ গ্রহণ করতে চাইলে অফিসিয়ালি হাইকমিশনের তত্ত্বাবধায়নে লাশ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। অন্যথায়, মালেয়শিয়ার আইন অনুযায়ী তাকে মালয়েশিয়ায় দাফন করা হবে।
স্ট্রোকজনিত কারণে মো. আবদুল সোবহানকে ২০২২ সালে মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের ইপোহ শহরের রাজা মনজিৎ সিং ইপোহ হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন অপরিচিত এক ব্যক্তি। চলতি বছরের ১৭ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। সেই থেকে হাসপাতালের মর্গেই পড়ে আছে এ প্রবাসীর লাশ। তখন নাম-পরিচয় না পাওয়ায় তার দেশে লাশ পাঠানোর কোনো সুব্যবস্থা করতে পারেনি বাংলাদেশ হাইকমিশন।