শহরটিতে বাংলাদেশিদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এবার নতুন করে প্রথমবারের মতো বাংলা রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন হলো। এতে বাংলাদেশিদের খাবারের চাহিদা যেমন পূরণ হবে, তেমনি পর্যটক এবং ইতালিয়ানদেরও অনেক আনাগোনা বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে তারা পরিচিত হবে বাঙালি স্বাদ-সংস্কৃতির।
প্রথম দিনেই প্রায় ডজন খানেক ইতালিয়ান পরিবার খাবারের মেনু এবং কী কী খাবার থাকবে সেটা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এখানে বিদেশিদের বেশ আনাগোনা থাকবে। আর বিদেশিদের বাংলা এবং ইন্ডিয়ান খাবারের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ তো রয়েছেই।

.png)
তাছাড়া বিদেশি পর্যটকরাও এই ধরনের খাবারের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিয়ে থাকেন। কারণ পর্যটকেরা ঘোরাঘুরির পাশাপাশি নতুন নতুন খাবারের মেনু চেখে দেখতে পছন্দ করেন এবং ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের খাবারের প্রতি সব পর্যটকদের একটা আলাদা চাহিদা থাকে।
এই শহরের উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খেলনা এবং গৃহসামগ্রী ছাড়াও মাছ-মাংসের দোকান রয়েছে। আরো আছে বাংলাদেশি হালাল বার, যেখানে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয় না।

এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ছেলেরা কাজ করছেন, পাশাপাশি অনেক বিদেশিরা কাজ করছেন। অর্থাৎ এখানে একটা বড় আকারের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যে সমস্ত প্রবাসীরা নতুন ইতালিতে আসছেন তাদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সাহায্য হচ্ছে।
সব মিলিয়ে দিন দিন প্রত্যেকটা শহরে যেমন বাংলাদেশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেড়ে চলছে এবং বাংলাদেশিদেরও প্রত্যেকটা শহরে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে একটা নতুন বাঙালি সংস্কৃতির বলয়। সেই দিক থেকে বাংলাদেশিরা দিন দিন ব্যবসা ও চাকরি সব ক্ষেত্রেই উন্নতি করছে এবং দেশের অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা পালন করছে।