এদিকে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর জানায়, এমআরপি আবেদন প্রিন্টিংয়ে অপেক্ষমাণ থাকা আবেদনকারীরা ফি জমা দিয়ে আবেদন করলে দ্রুত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
পাসপোর্ট অধিদফতরের এমন ঘোষণার পর ই-পাসপোর্ট নিতে আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান এক্সপার্ট সার্ভিসেস কুয়ালালামপুরে (ইএসকেএল) এসে প্রতিদিনই আবেদন করছেন শত শত প্রবাসী। তবে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন অনেকেই। আবার দূরপাল্লার যাত্রার ক্লান্তি এড়াতে প্রতিষ্ঠানটির সামনেই রাত্রি যাপন করছেন প্রবাসীরা। এতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
.png)
ই-পাসপোর্ট প্রত্যাশীরাদের অভিযোগ, প্রতিদিন ১২টা পর্যন্ত কাগজপত্র জমা নেয় ইএসকেএল। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই বুথ বন্ধ করে দিচ্ছে সেবা প্রতিষ্ঠানটি। এতে কাজের ধীরগতির পাশাপাশি ভোগান্তিও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পাসপোর্ট জটিলতার দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় বসবাসরত পাসপোর্ট সেবা প্রত্যাশীরা।
অন্যদিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, এমআরপির বুকলেট, লেমিনেশন ফয়েল পেপার ঘাটতি ও এমআরপির প্রিন্টিং মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট প্রিন্ট হতে দেরি হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী।
হাইকমিশন থেকে বলা হয়, এমআরপির জন্য যারা আগে আবেদন করেছেন তাদের সেই ব্যাংক স্লিপ কপির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫১ রিঙ্গিত জমা দিলে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সুযোগ আছে।
জানা গেছে, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় এমআরপি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ২০ হাজারের বেশি প্রবাসী আবেদন করে রেখেছেন। পাসপোর্ট না থাকায় কেউ কেউ এরই মধ্যে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, অনেকে রয়েছেন অবৈধ হওয়ার ঝুঁকিতে।