সবচেয়ে বড় হা করে ১৪ বছরের কিশোরের বিশ্ব রেকর্ড
মানুষ বড়ই অদ্ভুত, অদ্ভুত তাদের শখ এবং চাওয়া-পাওয়া। মানুষের চেয়ে বেশি অদ্ভুত প্রকৃতি। তাই কখনো প্রকৃতির খেয়ালে অথবা মানুষের অদ্ভুত শখের কারণে ব্যতিক্রম সব ঘটনার জন্ম হয়। আর এই সব ঘটনা এতোটাই ব্যতিক্রম যে দ্বিতীয় কোনো মানুষের পক্ষে সেই চেষ্টা করার সাহস হয় না।
ফলে এগুলোর রেকর্ড হয়ে থাকে বছরের পর বছর। ঠাঁই পায় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। আজ তেমনই এক কিশোরের কথা বলবো। যিনি কিনা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুখের তকমা পেলো। নাম তার আইজ্যাক জনসন। বয়স ১৪ বছর। আইজ্যাক জনসন মিনেসোটার বাসিন্দা। তার মুখের ফাঁকা ১০. ১৭৫ সেমি বা ৪ ইঞ্চি। ছোটবেলা থেকে বড় মুখের জন্য নানা সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে জনসনের।
আইজ্যাক জনসন গিনেস বুক অব রেকর্ডসে পুরুষ ক্যাটাগরিতে নাম লেখাতে পেরেছেন। তবে আইজ্যাক জনসন এবারই প্রথম নয়। ২০১৯ সালে প্রথম জনসনের নাম ওঠে গিনেস বুক অব রেকর্ডসের তালিকায়। তখন তার মুখের ফাঁকা ছিল ৯.৩৪ সেমি বা ৩.৬৭ ইঞ্চি। এরপর তার রেকর্ডটি আরেক মার্কিন বাসিন্দা ফিলিপ অ্যাঙ্গাস ভেঙে দেন। তার মুখের ফাঁকার মাপ ছিল ৯.৫২ সেমি বা ৩.৭৫ ইঞ্চি। তবে কিছুদিন পর থেকেই জনসন বুঝতে পারেন তার মুখের ফাঁকার পরিমাণ দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।
.png)
আইজ্যাক এত বড় করে মুখ খুলতে সক্ষম যে, একটি বেসবল, একটি সোডা ক্যান, এমনকি একটি বড় আপেলের মতো জিনিসগুলোও অনায়াসে ঢুকে যেতে পারে। তবে এতো বেশি বড় করে মুখ খোলার জন্য কোনো ধরনের ব্যথা অনুভব করেন না জনসন। বন্ধুদের সামনে বিভিন্ন সময় প্রদর্শনি করেন জনসন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অ্যাকাউন্টে তার টিকটক ভিডিওটি ৭৭ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ হয়েছে।