সাধারণ ফ্লুও যাতে না হয় তাই আমাদের থাকতে হবে সতর্ক। তাছাড়া সর্দি-জ্বর হলে ভোগান্তিরও শেষ থাকে না। যা খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়। তাই এমন সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে নিজেই নিতে পারেন প্রতিরোধী ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন নয়টি পরামর্শ। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-
দুই হাত পরিষ্কার রাখুন
.png)
ছোট-বড় সবারই হাত পরিষ্কার রাখা জরুরি। হাতের মধ্যমে যে কোনো জিনিস বা মানুষকে স্পর্শ করলে ভাইরাসের আক্রমণ ঘটতে পারে। এমনকি পরিষ্কার দেখায় এমন জিনিসে স্পর্শের কারণেও আপনার দুই হাত সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তাই সব সময় হাত দুটো অ্যালোকোহল-ভিত্তিক উপাদান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখুন
বাসার ভেতর ও আশপাশটা পরিষ্কার রাখুন। স্যাঁতস্যাঁতে অংশগুলো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আদর্শ স্থান। এগুলো পরিষ্কার করুন।
যথেষ্ট পরিমাণ ঘুমান
ঘুমের অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। যথেষ্ট পরিমাণ ঘুম মানুষকে সুস্থতা প্রদান করে। সংক্রমণের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবস্থা।
গ্রিন বা ব্ল্যাক টি
এই চা কেবল যে সংক্রমণ প্রতিরোধ করে তাই নয়, এগুলো চমৎকার অনুভূতি দেয়। চায়ের সঙ্গে লেবু বা মধু মিশিয়ে নিন।
জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার খান
ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আমরা সবাই ভিটামিন সি-এর ওপর আস্থা রাখি। তবে ফ্লু তাড়াতে জিঙ্ক দারুণ যোদ্ধা। বাদাম, শীমের বিচি বা মিষ্টি কুমড়ার বিচি খান। এগুলো জিঙ্কে পূর্ণ।
বাসায় তৈরি মুরগি ও সবজির স্যুপ খান
বাড়িতে তৈরি মুরগি ও সবজির স্যুপে প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকে। তাই মাঝে মধ্যে এগুলো খান। এতে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা জোরদার হয়।
মাস্ক ব্যবহার করুন
ভাইরাস বাতাসে ছড়াতে পারে। বাইরে ধুলোবালি বেশি থাকে। তাই বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। বাড়ির ভেতরে ধুলোবালি কম থাকে। সেখানে মাস্ক না পরলেও চলে।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন
শরীরচর্চায় রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে তাই নিয়মিত ব্যায়ামের কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।
বাইরের খাবার পরিহার করুন
রাস্তাঘাটের ধুলোবালিপূর্ণ খাবার সব সময় এড়িয়ে চলবেন। নোংরা খাবার ভাইরাস ছড়ানোর যম। তাই ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া