বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরকে সচল রাখার জন্য শর্করা, প্রোটিন ও ফ্যাট সব কিছুই প্রয়োজন, তবে নির্দিষ্ট অনুপাতে। কোনো একটি পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলেই দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। কাজেই অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণ করা এমনিতেই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। কিন্তু এই অতিরিক্ত শর্করা কি ক্যান্সারের জন্য দায়ী?
আরো পড়ুন: ব্যথা কমানোর পাঁচ প্রাকৃতিক উপায়
.png)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার কোষের ধর্মই হলো দ্রুত বিভাজিত হওয়া। আর এই ভাবে দ্রুত গতিতে বিভাজিত হতে গেলে যে বিপাকজাত শক্তি প্রয়োজন, তা আসতে পারে শর্করার দহন থেকে। কিন্তু একাধিক গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে, এই শর্করার সঙ্গে দৈনিক চিনি খাওয়ার বিশেষ কোনো যোগাসূত্র নেই। কাজেই চিনি সরাসরি ক্যান্সার ডেকে আনে না।
তবে প্রত্যক্ষভাবে চিনি ক্যান্সারের কারণ না হলেও, পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত চিনি খাওয়া ক্যান্সার রোগীদের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। এর কারণ মূলত দু’টি। প্রথমত, চিনি যদি ডায়াবেটিস ডেকে আনে তবে ডায়াবেটিসের প্রভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। আর দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত চিনি খেলে দেখা দিতে পারে স্থূলতা। এই স্থূলতা অনেক ধরনের ক্যান্সারের সঙ্গে জড়িত। একে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘প্রো কারসিনোজেনিক’ পর্যায়ও বলা হয়ে থাকে। কাজেই প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি।