রোববার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, সমাজের অন্যদের চেয়ে চিকিৎসকরা আর্থিক দিক থেকে স্বচ্ছল থাকেন। তাছাড়া তারা হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করে বিকেলে চেম্বারে বসতে পারেন। তারপরও কেউ রোগী ক্লিনিকে পাঠাবেন না।
.png)
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিধি দ্বিগুন করলেও সংকট শেষ হবে না উল্লেখ করে সচিব বলেন, হাসপাতাল বড় করলেও রোগী কমবে না, কারণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর সেবা আরো ভালো হওয়া দরকার।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে বলেন, করোনাকালে স্বাস্থ্যসেবাকে খুব দ্রুত বর্ধিত করা হয়েছে। শিন্তু চাহিদা অনুসারে জনবল বাড়েনি। আমরা চাহিদা শনাক্তের কাজ করছি। এরপর চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, চিকিৎসকদের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে তারা ঢাকামুখী বেশি হতে চান। আমরা জানি ঢাকায় অনেক স্থানে চাহিদারও বেশি চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ গ্রামগঞ্জে অনেক স্থানে চাহিদামতো চিকিৎসক নেই। এগুলো যাতে সমান্তরাল করা যায় সে জন্য কাজ চলছে। এগুলো হলে সংকট কেটে যাবে।
তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি (লেবার), শিশু, আইসিইউ, সিসিইউ, করোনা ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন শাহীন খান, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসানসহ স্বাস্থ্য ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা।