হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশ্বের শক্তিশালী ডেটা সার্ভার ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এ ক্ষেত্রে সবার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে এতটা ব্যয়বহুল হওয়া স্বত্তেও হোয়াটসঅ্যাপ কীভাবে ব্যাবহারকারীদের ফ্রিতে সেবা দিয়ে থাকে?
চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ফ্রি সার্ভিস হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে অর্থ উপার্জন করে হোয়াটসঅ্যাপ-
.png)
মেটা মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের পাশাপাশি মেটার আরো ২টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ইন্সটাগ্রাম, ফেসবুক) অ্যাপ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগতভাবে যে অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করেন তার জন্য কোনো অর্থ দিতে হয় না তাদের। মূলত, কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অর্থ উপার্জন করে হোয়াটসঅ্যাপ। তারা তাদের পণ্য বা পরিসেবার প্রচার করতে ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চায়।
কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপের প্রিমিয়াম সংস্করণ কিনলে অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকদের সঙ্গে চ্যাট করা যায়। সেটি কোনো কিছু সম্বন্ধে সাধারণ কথোপকথন বা আর্থিক লেনদেনও হতে পারে। বিশ্বের অনেক জায়গায় এই ফিচারটি এখনও প্রায় শুরুর দিকে রয়েছে। উদারণস্বরূপ, ভারতের বেঙ্গালুরুতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাসের টিকেট কেনা যায় এবং আসনও বেছে নেওয়া যায়। এছাড়াও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে যদি কোনো লিংক সরবরাহ করে এবং সেটি যদি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে না বের হয়ে সেখানেই নতুন একটি পোর্টাল তৈরি করে দেখাতে চান তাহলে এ জন্য তাদের অর্থ প্রদান করতে হয়। এই একটি ফিচার দিয়েই কয়েক বিলিয়ন ডলার আয় করে প্রতিষ্ঠানটি।