সম্প্রতি লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে আয়োজন করা হয়েছিল প্রথমবারের মতো মুরগির এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। এতে অংশ নেয় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিযোগীরা।
জানা যায়, প্রতিযোগিতায় মুরগির রং, আকার, দৈহিক গঠন ও পালকের উজ্জ্বলতা দেখে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি শুধু মুরগি পালনকারীদের প্রচারের জন্যই নয়, বরং তরুণদের পাখি সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যেও আয়োজন করা হয়েছে, যেন তারা দেশটিতে চলমান সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে।
.png)
প্রতিযোগিতার সুপারভাইজর খালেদ দিয়াব বলেন, আমরা আকর্ষণীয় সব মুরগি পালনকারীদের সমাবেশ লক্ষ্য করেছি। এটি চমৎকার একটি পেশা, যা তরুণদের নেতিবাচকতা ও যুদ্ধ থেকে দূরে রেখেছে। আশা করি, সরকার এক্ষেত্রে তরুণদের পাশে থাকবে।
দিয়াবের মতে, তাদের আয়োজনে অংশ নেয়া মুরগিগুলো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেয়ার যোগ্যতা রাখে। মুরগির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা দেখতে যাওয়া তাহের বেলকাসেম নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমি জীবনে প্রথমবার এ ধরনের আয়োজন দেখছি। আগে শুধু সাধারণ মুরগির কথা জানতাম। তবে এখানে এসে প্রথমবারের মতো এত ধরনের মুরগি দেখছি। এটি দারুণ উদ্যোগ এবং এর জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ পাওয়া উচিত।
লিবিয়ার প্রথম মুরগির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় প্রথমস্থান লাভ করেছে মোহান্নাদ জায়েদের ব্রাহমা জাতের একটি মুরগি। এটি সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৮ পয়েন্ট পেয়ে জয়ী হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।