তিনি সোমবার রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এটিই ছিল সাঈদ খাতিবযাদের প্রথম সংবাদ সম্মেলন।
তিনি বলেছেন, এই এলাকায় যদি দখলদার ইসরায়েল কোনো হুমকি সৃষ্টি করে তাহলে এজন্য দায়ী থাকবে আরব আমিরাত। ইরানের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে পারস্য উপসাগরে ইসরায়েলকে হুমকি হিসেবে গণ্য করা হয় না।
.png)
ইসরায়েলের তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও ক্ষমতা নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেছেন, দখলদার ইসরায়েল এখন পর্যন্ত সব চুক্তি ও প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে এবং সব ধরণের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এসবই বাস্তবতা। এই বাস্তবতার পরিবর্তন ঘটবে না।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ’র মহাসচিব রাফায়েল গ্রোসি’র ইরান সফর সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ইরান ও আইএইএ’র সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে গত বছরগুলোতে দুই পক্ষের সম্পর্কে চড়াই-উতরাই ছিল। আইএইএ সব সময় তৃতীয় পক্ষের রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে নিরপেক্ষ থাকলে কারিগরি কাঠামোর আওতায় দুই পক্ষের সম্পর্কে কোনো সমস্যা তৈরি হবে না।