জাপান সরকারের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে ৮ লাখ ৬৫ হাজারেরও কম শিশু জন্মগ্রহণ করেছে, যা দেশটিতে জন্মহারের সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বিশ্বে প্রবীণদের সংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে জাপান। এছাড়া বিশ্বের অন্যতম নিম্ন জন্মহারের দেশও এটি। সে কারণেই জন্মহার বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি খুঁজছে দেশটির সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এসব পদ্ধতির সর্বশেষ উদাহরণ।
.png)
সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্মহার বাড়াতে আগামী বছর স্থানীয় সরকাগুলোকে দুই বিলিয়ন ইয়েন (১৬১ কোটি টাকারও বেশি) প্রদান করবে জাপান সরকার।
এরইমধ্যে ‘ম্যাচমেকিং’ বা ঘটকালি সেবা পরিচালনা করছে দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকার। এর মধ্যে বেশ কিছু স্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগও চালু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে লোকজনের জমা দেয়া তথ্যগুলো আরো জটিলভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে যা তাদের সঙ্গী পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করবে।
জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জনসংখ্যা ছিল ২০১৭ সালে। সে সময় জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৮০ লাখ।