ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ভারতের পাওয়ার গ্রিডে চীনা হ্যাকারদের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:৩৫, ২ মার্চ ২০২১
ভারতের পাওয়ার গ্রিডে চীনা হ্যাকারদের হামলা
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পাওয়ার গ্রিডে ভয়াবহ সাইবার হামলা চালিয়েছিলো চীন। হামলার প্রভাবে গ্রিডের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয় বলে জানাগেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিডে সাইবার হামলার ঘটনা নিশ্চিত করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এটি অবশ্যই চীনা হ্যাকারদের কাজ।

এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রকে ভারতের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান ফ্র্যাঙ্ক পলিন।

Advertisement

সোমবার রাতে ঐ মার্কিন কোম্পানি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, গত বছর গালওয়ান ভ্যালি নিয়ে শীতল যুদ্ধের পর ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য বানিয়েছে চীনের হ্যাকাররা। গত বছরের অক্টোবর থেকে কয়েক দফায় এসব পাওয়ার গ্রিডে হামলা চালানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এসব চীনেরই কাজ।

ফ্র্যাঙ্ক পলিন বলেছেন, ভারত আমাদের কৌশলগত পার্টনার। তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে এবং এই ঘৃণ্য চাইনিজ আক্রমণের নিন্দা জানাতে হবে। করোনার মধ্যে এমন আক্রমণের কারণে ভারতের হাসপাতালগুলো জেনারেটর চালিয়ে সেবা দিতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বল ও ভয় দেখানোর মাধ্যমে চীনকে এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে দিতে পারি না।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে অবগত আছে। বিশ্বজুড়ে সাইবারস্পেসে এমন হামলা মোকাবেলা করতে আমরা আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরে লাদাখে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলাকালেই আচমকা অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই। এর পেছনে চীন সরকারের মদতপুষ্ট হ্যাকারদের হাত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংস্থাটির প্রতিবেদনে।

জানা যায়, গত ১২ অক্টোবরের সেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মুম্বাই শহরের দুই কোটি বাসিন্দা তো বটেই, সেখানকার পরিবহন ব্যবস্থা, শিল্প এবং শেয়ারবাজারও বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়। থমকে যায় ট্রেনগুলো। কল-কারখানায় বন্ধ হয়ে যায় উৎপাদন। কোভিড রোগীদের ভেন্টিলেটর চালু রাখতে জরুরি ভিত্তিতে চালু করতে হয় জেনারেটর। এসবের জেরে ব্যাপক ধস নামে শেয়ারবাজারে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেন ভারতীয় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা। অন্ধকার থেকে মুক্তিও আসে দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যে। তবে ওইটুকু সময়েই ভারতের ক্ষতি হয় অন্তত আড়াইশ’ কোটি রুপি।

ঘটনার পরপরই জানা গিয়েছিল, কালওয়াতে সেন্ট্রাল লাইনে গ্রিড বসে যাওয়ায় ওই বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। এ নিয়ে তদন্তের পর সাইবার হামলার বিষয়টিও সামনে আসে। তবে পরে তা নিয়ে আর কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!