বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কমিটি ছয় মাস চেষ্টা চালিয়ে এক হাজার তিনশ’ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে। এতে আরো ৭৭ জন ব্যক্তি ও দুইটি কোম্পানি অপরাধ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়, জইর বলসোনারোকে গণহত্যা ও খুনে অভিযুক্ত করা উচিত। তবে সিনেটররা পরে টেকনিক্যাল কারণ দেখিয়ে ওই বিশেষ অভিযোগ বাতিল করে দেয়। এছাড়া অভিযুক্তদের তালিকায় আরও দশ জনকে যোগ করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
.png)
প্রকাশিত মূল প্রতিবেদনে জইর বলসোনারোকে অ্যাডলফ হিটলার এবং অগাস্তো পিনোশের মতো স্বৈরশাসকদের পাশে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করেনি বলসোনারোর কার্যালয়।
সিনেট কমিটি প্রতিবেদন অনুমোদন করলেও প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা সম্ভব নাও হতে পারে। কেননা তা করতে হলে ব্রাজিলের প্রসিকিউটর জেনারেলকেই আনতে হবে। আর তাকে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এর আগে এই তদন্তকে উপহাস বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট।
তারপরও নির্বাচনের এক বছর আগে এই প্রতিবেদন ব্রাজিলের ডানপন্থী নেতার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ইঙ্গিত বহন করে। মহামারি মোকাবিলায় ব্যর্থতা এবং অতিরিক্ত মুদ্রা স্ফীতির কারণে ইতোমধ্যেই তার জনপ্রিয়তা পড়তির দিকে।