পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবতীর নাম সোনাদেবী সিংহ (২৩)। তার বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়। কুমেদপুরের মাখনা কারখানাতে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। সেখানেই বিহারের দ্বারভাঙা জেলার বাসিন্দা শঙ্কর সাহানি (২৫) নামে ওই অভিযুক্ত যুবকের সোনাদেবীর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রণয়ের সম্পর্ক। কিন্তু সোনাদেবী বিয়ের জন্য চাপ দিতেই বেঁকে বসেন শঙ্কর।
এর পরেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন সোনাদেবী। তার অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়েতে রাজি হচ্ছেন না তার প্রেমিক। সঙ্গে সঙ্গে শঙ্করকে থানায় ডেকে আনা হয়। সেখানে দীর্ঘ ক্ষণ শঙ্করকে বোঝান পুলিশকর্মীরা। সব অভিযোগ স্বীকার করে বিয়েতে রাজিও হন তিনি।
.png)
আরো পড়ুন>> হিজাব পরায় কলেজে ঢুকতে বাধা!
এর পর থানাতেই বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দেন আইসি সঞ্জয় কুমার দা-সহ অন্য পুলিশকর্মীরা। থানাতেই তৈরি করা হয় মণ্ডপ। ব্যান্ড পার্টি ডেকে ঢালঢোল পিটিয়ে হিন্দু মতে বিয়ে শঙ্কর আর সোনাদেবীর বিয়ে দেন পুলিশকর্মীরা।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, ‘মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে থানায় এসেছিল। ওর বাবা-মা নেই। পুরো ঘটনা শোনার পর যুবককে থানায় ডাকি আমরা। সব স্বীকারও করে নেয় ওই যুবক। এর পর থানার উদ্যোগেই অনাথ যুবতীর বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।’
পুলিশের এই উদ্যোগে আপ্লুত স্থানীয় বাসিন্দারাও। আব্দুল মতিন নামে বাসিন্দা বলেন, ‘ওরা অনেক দিন ধরেই প্রেম করত। কিন্তু মেয়েটিকে বিয়ে করতে চাইছিল না ওই যুবক। মেয়েটির মা-বাবা নেই। পুলিশ যে ভাবে সমস্যার সমাধান করল, তা প্রশংসনীয়।’
সূত্র: আনন্দবাজার, জি নিউজ