ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সক্রিয় করা হলো বিশেষ ন্যাটো বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৯, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সক্রিয় করা হলো বিশেষ ন্যাটো বাহিনী
ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম ইউরোপের প্রথম দেশ হিসাবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রপথে ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় হামলা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান শুরু করেছে দেশটি। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নেটো দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রথম বারের জন্য বিশেষ বাহিনীকে (রেসপন্স ফোর্স) সক্রিয় করলো ন্যাটো। ন্যাটো বাহিনীর প্রধান কমান্ডার জেনারেল টড ওলটার্স স্থল, বায়ু, সমুদ্রে সেনার পাশাপাশি বিশেষ সেনাদেরও সক্রিয় করেছেন।

আমেরিকা এবং ন্যাটো দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থনে করলেও তারা প্রত্যক্ষ সংঘাতে যাবে না বলে আগেই স্পষ্ট করেছিল। তাই ন্যাটো বিশেষ বাহিনীকে সক্রিয় করলেও এই বাহিনী ইউক্রেনে গিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ সঙ্ঘাতে জড়াবে না। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরূদ্ধে সন্ত্রস্ত ন্যাটো দেশগুলোকে সাহায্য করার জন্যই ন্যাটো সেনাদের পূর্ব ইউরোপে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ন্যাটো রেসপন্স ফোর্সে মোট ৪০ হাজার সেনা রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কত জনকে সক্রিয় করা হল তা নিয়ে এখনো কোনো বিবৃতি দেয়নি ন্যাটো।

ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ শুক্রবার জানান, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের অবসান ঘটাতে ক্রেমলিনের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য ন্যাটো জোটকে আরো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Advertisement

আরো পড়ুন: ইউক্রেনে ৩০০ সেনাসহ দু’টি রুশ সামরিক বিমান ভূপাতিত

তিনি বলেন, আমাদের সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এমনকি যদি আমাদের এর জন্য উপযুক্ত মূল্য দিতে হয়, তাও দিতে হবে। আমাদের এই পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। ঠিক এই কারণেই আমরা প্রথম বারের জন্য নেটো রেসপন্স ফোর্স মোতায়েন করছি।

শুক্রবার সকালে ন্যাটো দেশগুলোর শীর্ষনেতাদের মধ্যে ফোনে কথোপকথনের পর রেসপন্স ফোর্স সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য পুতিনের হুমকির মোকাবেলায় ন্যাটো ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!