ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

এই ‘যুদ্ধ’ জেতার নয়: গুতেরেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫১, ২৩ মার্চ ২০২২
এই ‘যুদ্ধ’ জেতার নয়: গুতেরেস
ছবি: সংগৃহীত

ফের সরব হলেন জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধ কেউ জিততে পারবে না। রাশিয়ার উচিত এবার লড়াই বন্ধ করা। তার কথায়, মারিউপোল যদি রাশিয়া জিতেও নেয়, তাহলেও ইউক্রেনের শহরের পর শহর, রাস্তার পর রাস্তা রাশিয়া দখল করতে পারবে না। এ এক অযৌক্তিক লড়াই চলছে।

 জাতিসংঘের প্রধানের বক্তব্য, এ লড়াই চলতে থাকার অর্থ, সাধারণ মানুষের আরো বেশি দুর্ভোগ। আরো প্রাণহানি। আরো ভয়াবহতা। রাশিয়াকে লড়াই থামানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি গুতেরেস জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে যে আলোচনা চলছে, তা আগের চেয়ে ফলপ্রসূ হয়েছে। কথা এগোচ্ছে।

আরো পড়ুন: ইসরায়েলে শপিং সেন্টারে হামলা, নিহত ৫

Advertisement

এদিকে গুতেরেস যখন যুদ্ধ থামানোর কথা বলছেন, তখন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একে যুদ্ধ বলতেই রাজি হলেন না ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। তার বক্তব্য, কেউই ভাবেননি ইউক্রেনে রাশিয়ার স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন কয়েকদিনেই শেষ হয়ে যাবে। সময় হাতে নিয়েই রাশিয়া এ কাজে নেমেছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্য, রাশিয়া কখনোই একে যুদ্ধ হিসেবে দেখছে না। যদি যুদ্ধ হয় এবং রাশিয়ার নিরাপত্তা যদি বিঘ্নিত হয়, তাহলে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা হবে বলে এদিন সতর্ক করেছেন পেসকভ। তবে রাশিয়ার এই স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন কবে শেষ হবে, তা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি ক্রেমলিনের মুখপাত্র।

মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, মারিউপল শহরে আর কিছু বেঁচে নেই। দীর্ঘ লড়াইয়ে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। এখনো সেখানে অন্তত লাখখানেক সাধারণ মানুষ আটকে আছেন বলে তার অভিযোগ। ভেঙে যাওয়া থিয়েটারে এখনো সাধারণ মানুষ ধ্বংসাবশেষের নীচে আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মারিউপলে কোনো খাবার নেই, জল নেই। এই পরিস্থিতিতে ফের রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার দাবি থেকে তিনি কিছুটা সরে আসতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, রাশিয়া যে শর্তগুলি সামনে রেখেছে, তার মধ্যে অন্তত একটি নিয়ে ইউক্রেন খানিকটা আপস করতে তৈরি বলে এদিন আবার ইঙ্গিত দিয়েছেন জেলেনস্কি।

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, ইউক্রেনে লড়তে যাওয়া রাশিয়ার সেনার মনোবল আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। তাদের মনোবল ৯০ শতাংশের নীচে নেমে গেছে বলে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর খাবার কমে গেছে। তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে তীব্র ঠান্ডায় বহু সেনা ফ্রস্টবাইটের মতো সমস্যায় ভুগছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বরফে চামড়ার নীচে রক্ত জমে ফ্রস্টবাইট হয়। দ্রুত চিকিৎসা না করলে ওই জায়গা কেটে বাদ দিয়ে দিতে হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ট্যাগ: ইউক্রেন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!