রাশিয়ার বেলগোরোদ শহরটির অবস্থান ইউক্রেনের উত্তর সীমান্তবর্তী। স্থানীয় সময় শুক্রবার আঞ্চলিক গভর্নর ভেয়াচেসলাভ গ্লাদকভ এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেন, ইউক্রেনের দুটি এমআই-২৪ হেলিকপ্টার সীমান্ত অতিক্রম করেছে এবং সীমান্ত থেকে ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত একটি তেলের গুদামে রকেট ছুড়েছে। এর পরপরই ওই তেলের গুদামে আগুন ধরে যায় এবং ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাশিয়ার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা।
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে জানা গেছে, ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি ওলেক্সি দানিলভ এ হামলার দায় অস্বীকার করেন। ইউক্রেনের একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কিছু কারণে তারা বলছে আমরাই এ কাজ করেছি। তবে সত্যিকার অর্থে তা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
.png)
আরো পড়ুন: সৌদিতে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সহযোগী ওলেক্সি অ্যারেস্তোভিচ বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে আত্মরক্ষামূলক সামরিক কার্যক্রম চালাচ্ছি। রুশ ভূখণ্ডে যা কিছু ঘটবে, তার দায় রাশিয়ার নেতাদেরই বহন করতে হবে। সব প্রশ্নের উত্তর তাদেরই দিতে হবে।
ইউক্রেনের কোনো কোনো বিশ্লেষক দাবি করেন, আলোচনা ব্যাহত করতেই এ হামলার দৃশ্য সাজানো হয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও অবশ্য বলেন, এ হামলার কারণে আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে।
পরে আবার পেসকভ বলেন, পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তকে শক্তিশালী করবে রাশিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে। এরপরই তেলের গুদামে আগুন ধরতে দেখা যাচ্ছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।