জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এক চিঠিতে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চার সিরীয় সেনা নিহত হওয়ার পর একইদিন গুতেরেসের কাছে ওই চিঠি পাঠানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই হামলাকে ‘নির্লজ্জ এবং কাপুরুষোচিত আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং মহাসচিবের দফতর থেকে এ হামলার নিন্দা জানানোর দাবি জানানো হয়েছে। স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের ওপর আগ্রাসন না চালানোর ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যে প্রস্তাব রয়েছে তা মেনে চলতে ইসরাইলকে বাধ্য করারও আহ্বান জানিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
.png)
আরো পড়ুন: রুবলে রাশিয়ার গ্যাস কিনছে ইউরোপের চার দেশ
গুতেরেসকে লেখা চিঠিতে ওই মন্ত্রণালয় বলেছে, সিরিয়ার ভূমিতে সিরিয়ার জনগণের ওপর তুর্কি ও মার্কিন সেনারা ধারাবাহিকভাবে যে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি আরো বলেছে, সিরিয়ায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক শক্তি হিসেবে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
সিরিয়ায় তৎপর কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমনের অজুহাতে তুরস্ক ২০১৬ সালে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল সেনা মোতায়েন করে। দামেস্ক এই ঘটনার প্রচণ্ড বিরোধিতা করা সত্ত্বেও দেশটির সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী এ পদক্ষেপ থেকে সরে যায়নি আঙ্কারা। অন্যদিকে আমেরিকা উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) দমনের অজুহাতে ২০১৪ সালে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন করে। ২০১৭ সালে সিরিয়া সরকার ও তার মিত্ররা মিলে দেশটি থেকে দায়েশকে উৎখাত করার পরও নিজের সেনা সরিয়ে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।