ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

টেক্সাসের স্কুলে হামলায় নিহত স্ত্রীর ‘শোকে’ মারা গেলেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:৫০, ২৭ মে ২০২২
টেক্সাসের স্কুলে হামলায় নিহত স্ত্রীর ‘শোকে’ মারা গেলেন স্বামী
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি স্কুলে বন্দুকধারীদের গুলিতে গত মঙ্গলবার অন্তত ১৯ শিশু শিক্ষার্থীসহ ২১ জন নিহত হয়েছিলেন। শিক্ষার্থী ছাড়া নিহতদের বাকি দুই জন প্রাপ্তবয়স্ক, যাদের মধ্যে ওই শিশুদের শিক্ষিকাও ছিলেন।

বন্দুকধারীদের গুলিতে শিক্ষিকা স্ত্রীর মৃত্যুর দুইদিনের মাথায় মারা গেছেন তার স্বামী। স্ত্রীর মৃত্যুর শোকে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের উভালদের রব এলিমেন্টারি স্কুলে গত মঙ্গলবার বন্দুকধারীদের গুলিতে ১৯ শিশু শিক্ষার্থীসহ ২১ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে স্কুলের শিক্ষিকা ইরমা গার্সিয়াও রয়েছেন। গত ২৩ বছর ধরে ওই স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন তিনি। তবে ইরাম গার্সিয়ার মৃত্যুর দুইদিনের মাথায় হার্ট অ্যাটাকে মারা যান তার স্বামী জো গার্সিয়া। ২৪ বছর আগে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের চার সন্তান রয়েছে।

Advertisement

আরো পড়ুন: বুরকিনা ফাসোয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলা, নিহত ৫০

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় ইরাম গার্সিয়ার এক ভাগ্নে জন মার্টিনেজ বলেন, জো গার্সিয়া তার স্ত্রীর হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে শোকের কারণে মারা গেছেন। স্থানীয় এক ফক্স সহযোগী জানিয়েছেন, জো গার্সিয়া মারাত্মক হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। গার্সিয়া দম্পতির সংসারে ১২ থেকে থেকে ২৩ বছর বয়সী দুটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

উভালদের রব এলিমেন্টারি স্কুলে মারাত্মক বন্দুক হামলার পর জন মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছিলেন, ইরাম গার্সিয়া তার ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত বাচ্চাদের কোলে জড়িয়ে রেখেছিলেন’ এবং এই অবস্থায়ই তাকে মৃত উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা।

তিনি আরো বলেন, তিনি (ইরাম) তার শ্রেণীকক্ষে বাচ্চাদের রক্ষা করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি একজন নায়ক ছিলেন।

বিবিসি বলছে, ইরাম গার্সিয়া ছাড়াও বন্দুক হামলায় নিহত অন্য শিক্ষকের নাম ইভা মিরেলেস। গত পাঁচ বছর ধরে তারা একসঙ্গে শিক্ষকতা করছিলেন এবং তাদের মধ্যে ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা ছিল।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!