এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ভিটামিন ককটেল’ প্রয়োগ করলে দুষ্প্রাপ্য তিমিটি ক্ষুধা নিবারণের পর শক্তি নিয়ে সমুদ্রে ফিরে যেতে পারবে বলে উদ্ধারকারীরা আশা করছেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার উত্তর প্যারিসের ৭০ কিলোমিটার দূরে অপুষ্ঠ স্তন্যপায়ী প্রাণীটিকে প্রথমবার চিহ্নিত করা হয়। পরে বেশ কয়েকবার তিমিটিকে সাঁতার কাটানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে সেটি সেখানে আটকে পড়ে এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন বিজ্ঞানীরা।
.png)
এখন পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা চার মিটার বড় তিমিকে খাবার হিসেবে হিমায়িত মাছ ও ট্রাউট মাছ দিয়েছেন। তবে ইউরোর স্থানীয় প্রশাসন ইসাবেল ডরলিয়েট পোজেট বলেন, তিমি কোনো খাবারই গ্রহণ করেনি।
শনিবার এএফপিকে তিনি বলেন, তিনিটি বেশ ক্ষিপ্ত এবং খাবার গ্রহণে অনীহা দেখাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছেন যে, আটকে থাকা প্রাণীটিকে ভিটামিন প্রয়োগ করলে সেটির ক্ষুধা বৃদ্ধি পেতে পারে। ক্ষুধা বৃদ্ধি পেলে খাবার গ্রহণের ফলে সেটি ১৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে নদী ত্যাগ করে ইংলিশ চ্যানেলে তার বাসস্থানে পৌঁছাতে পারবে।
তবে তিমিকে নদী থেকে সরানোর জন্য অন্য একটি উপায় নিয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে সেটি ঝুঁকি যাত্রায় স্তন্যপায়ী প্রাণীর অনেক শক্তির প্রয়োজন হবে।
শনিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, তিমির শরীরের চামড়ায় ছোট ছোট দাম দেখা গেছে। তবে এটি লবণাক্ত পানি থেকে লোনা পানিতে আসায় প্রাণীটির এমন হয়েছে কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি তিমির শারীরিক সমস্যা রয়েছে কিনা সেটিও জানা যায়নি।
বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ বলছে, তিমিটি নড়াচড়া করছে না। সেটি শুধুমাত্র তার শ্বাসের শব্দ ছাড়তে পৃষ্ঠে আসে। তাই তিমিটি নিয়ে দুশ্চিতা বাড়ছে।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা দ্বিধার মধ্যে রয়েছে যে, তিমিটি কীভাবে তার প্রাকৃতিক বাসস্থান থেকে বিপথগামী হয়ে নদীতে চলে আসলো!
বেলুগাস মাঝে মাঝে শরৎকালে বড় শিকারের জন্য দক্ষিণে যায়। কিন্তু তবে সেটি তার নিজের আবাস্থল থেকে দূরে যাওয়ার নজির খুবই কম। এ রকম ঘটনাও আগে শোনা যায়নি।