এক বিবৃতিতে ফরাসি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা একটি সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদ পন্থায় সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। এখন তাদের সর্বশেষ সেনা সদস্যরা মালি ছেড়েছেন।
ঐ বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, মালি ও নাইজারের মধ্যকার সীমান্ত অতিক্রম করেছে ফরাসি সৈন্যরা। ২০১৪ সালে বুরকিনা ফাসো, চাদ, মালি, মৌরিতানিয়া এবং নাইজারের যৌথ সহযোগিতায় ঐ অঞ্চলে ফ্রান্স অভিযান শুরু করে তারা। সে সময় সশস্ত্র গ্রুপগুলো বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছিল।
.png)
মূলত ২০১৩ সালে বামাকোর অনুরোধেই দেশটিতে হস্তক্ষেপ করে ফ্রান্স। সোমবার ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অপারেশন সার্ভালের অধীনে ঐ অঞ্চলে ফ্রান্সের তৎপরতা থাকবে, কারণ সেখানে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছে সব অংশীদাররা।
গত মাসে ফরাসি কর্মকর্তারা জানান, ঐ অঞ্চলে এখন নাইজারকে কেন্দ্র করে ফরাসি সেনা মোতায়েন হবে। যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টারসহ প্রায় এক হাজার সেনা মোতায়েন থাকবে। বুরকিনা ফাসো ও মালির সঙ্গে সীমান্ত অঞ্চলে নাইজারের সৈন্যদের সঙ্গে বিশেষ অভিযানে আরো ৩০০ থেকে ৪০০ সেনা মোতায়েনের কথা রয়েছে। অপরদিকে, প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার সেনা মোতায়েন হবে চাদে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মালি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিল ফ্রান্স।