রাশিয়ার কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে সেনা সরালে কেন্দ্রটির অবস্থা শোচনীয় হবে।
ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলাগুলির পর জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করছে ইউক্রেন-রাশিয়া। তাই রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করায় উদ্বেগ আরো বেড়ে গেল।
.png)
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ইউক্রেনের শ্রমিকরা পরিচালনা করেন। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের শুরু পর সেটি মার্চ মাস থেকে দখল করে রুশ বাহিনী।
জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র ঘিরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যাব এরদোগানের সঙ্গে লাভিভে বৈঠক শেষে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তিরিও গুতেরেসে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির যেকোনোর ধরনের ক্ষতি আত্মহত্যার শামিল।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে সেনা সরাতে জাতিসংঘের কাছে আহ্বান করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এতে গুতেরেস বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হবে না।
বৈঠক শেষে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে সেনা সরানোর জন্য রাশিয়াকে আহ্বান জানান গুতেরেসে, জেলেনস্কি ও এরদোগান। কিন্তু রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও প্রেস বিভাগের উপ-পরিচালক ভ্যান নেচায়েভ এ আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।