রোববার (১৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, কারাগার থেকে অগ্নিশখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হচ্ছে।
.png)
কারাগার থেকে সতর্কতামূলক সাইরেন ও গুলির শব্দও শোনা যায়৷ এখানে মূলত রাজনৈতিক বন্দিদের আটকে রাখা হয়।
একজন কর্মকর্তার বরাতে রাষ্ট্রয়াত্ব গণমাধ্যম জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের জন্য 'উত্তেজনা' ও 'অপরাধমূলক কর্মকান্ডও' দায়ী।
কুর্দি তরুণী মাসা আমিনিকে ঘিরে চলা তীব্র আন্দোলনের মধ্যেই ইরানের কুখ্যাত কারাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল৷
সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-কে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে৷
আরো পড়ুন>> একবার চুল কাটাতে ১৭ লাখ টাকা খরচ করেন ব্রুনাইয়ের সুলতান
এদিকে খবর বের হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে আটক হওয়া কেউ একজন কারাগারের স্টোর রুমে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সরকার বিরোধী একটি গ্রুপ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করে৷ তাদের ভিডিওতে সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে শোনা যায়। তবে এসব খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বিবিসি৷
গত ১৬ সেপ্টেম্বর নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে মারা যান মাসা আমিনি৷ এরপর অশান্ত হয়ে ওঠে ইরান৷ যা পরবর্তীতে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়৷ ইরানের একটি মানবাধিকার সংস্থা শুক্রবার জানায়, আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।