ইরানের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা ও দুই কূটনৈতিকের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত ৬ অক্টোবর মস্কোতে সফর করেন ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবের। তার সঙ্গে ছিলেন ইরানের শক্তিশালী রেভুলিউশনারি গার্ডসের দুইজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। সেই সফরে রাশিয়াকে অস্ত্র দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।
.png)
একজন ইরানিয়ান কূটনৈতিক বলেন, ইরানের কাছে আরো ড্রোন চেয়েছে রাশিয়া। এছাড়া ফাতেহ ও জোলফাগারের মতো নিদির্ষ্ট স্থানে নির্ভুল স্থানে আঘাত হানা ইরানিয়ান ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছে মস্কো।
পশ্চিমারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, ইরান ও রাশিয়া মধ্যে ভূমি থেকে ভূমিতে ব্যবহারযোগ্য জোলফাগারসহ স্বল্প দূরত্বের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যোগানের চুক্তির হয়েছে।
তবে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রস্তাব যে অপবাদ পশ্চিমারা তুলেছে তা অস্বীকার করেছেন ইরানের এ কূটনৈতিক।
ঐ কূটনৈতিক বলেন, আমরা বিক্রেতা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছি না। আমরা পশ্চিমাদের মতো কোনো পক্ষ নিচ্ছি না। আমরা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট নিরসন চাই।
ইউক্রেন অভিযোগ করছে যে, সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের তৈরি শাহিদ-১৩৬ ড্রোন দিয়ে হামলা করছে রাশিয়া। তবে রাশিয়াকে ড্রোন দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছে ইরান। এছাড়া মঙ্গলবার ইউক্রেনে রুশ সেনাদের মাধ্যমে ইরানের তৈরি ড্রোনে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন।