ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমারা যদি আরো জড়িত হয় তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
বার্তা সংস্থাটি বলছে, ১৯৫৭ সালে মানুষের তৈরি স্পুটনিক ১ স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠায় রাশিয়া। সেই থেকে মহাকাশে রয়েছে তারা। ১৯৬১ সালে দেশটি প্রথম মহাশূন্যে মানুষ পাঠায়। তাই মহাকাশে আক্রমণ করার মতো সক্ষমতা রাশিয়ার রয়েছে। রাশিয়া ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের একই সক্ষমতা রয়েছে। এরইমধ্যে রাশিয়া তার স্যাটেলাইটগুলোর একটিকে ধ্বংস করতে স্যাটেলাইট প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র মহাকাশে পাঠিয়েছে।
.png)
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপ্রসারণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সহকারী পরিচালক কনস্টেনটিন ভরন্টসভ জাতিসংঘে বলেন, পশ্চিমা প্রভাব শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা মহাকাশকে ব্যবহার করছে।
একটি লিখিত বিবৃতিতে ভরন্টসভ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধে সহযোগিতার জন্য পশ্চিমাদের স্যাটেলাইট ব্যবহার মারাত্মক বিপজ্জনক প্রবণতা।
তিনি জাতিসংঘের প্রথম কমিটিতে বলেন, আধা-বেসামরিক অবকাঠামোতে প্রতিশোধমূলক হামলা করা যেতে পারে। কিন্তু ইউক্রেনকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সহযোগিতা করার বিষয়টি উসকানিমূলক।
ভরন্টসভ জাতিসংঘে বলেন, আমরা অস্ত্রের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বেসামরিক মহাকাশ অবকাঠামোর উপাদানগুলোর সম্পৃক্ততার বিষয়ে কথা বলছি।
ভরন্টসভ নির্দিষ্ট করে কানো কোম্পানির নাম উল্লেখ করেননি। যদিও চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক তার মহাকাশ সংক্রান্ত কোম্পানি স্পেসএক্স দিয়ে ইউক্রেনে স্টারলিং ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এটি করোনা পরবর্তী বিশ্বের পুনরুদ্ধার হওয়ার অর্থনীতে ধাক্কায় দেয়। একইসঙ্গে পশ্চিমাদের সঙ্গে ১৯৬২ সালে কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের দিতে ধাবিত করছে।