বুধবার (২ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া আজ পূর্ব ও পশ্চিম দিকে বিভিন্ন ধরনের অন্তত ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।’
এর আগে তারা জানিয়েছিল যে, সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে পূর্ব উপকূলে উত্তর কোরিয়ার কাংওয়ান প্রদেশ থেকে সমুদ্রে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র সনাক্ত করা হয়েছে। এর একটি উত্তর সীমা লাইন নটিক্যাল সীমান্তের প্রায় ২৬ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় পতিত হয়। কোরীয় যুদ্ধের পর এমন ঘটনা এই প্রথম।
.png)
সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণ কোরিয়ার উলেংডোর দ্বীপের কাছে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্বীপটিতে আকাশপথে হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।
আরো পড়ুন>> লটারিতে ৩১১ কোটি টাকা জিতেও স্ত্রীর কাছে গোপন রাখলেন যুবক!
জারি করা সতর্কতার বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। ক্ষুদ্র দ্বীপটির বাসিন্দাদের নিকটস্থ ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়া অংশীদারদের সঙ্গে সামরিক মহড়া বন্ধ না করলে উত্তর কোরিয়া ‘শক্তিশালী পদক্ষেপ’ নেয়ার হুমকি দেওয়ার একদিন পর এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হল।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনায় তাৎক্ষণিক নিন্দা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল জাতীয় নিরাপত্তা বৈঠক ডাকেন।
আরো পড়ুন>> বিশ্ব শ্রম বাজারে তীব্র মন্দা, চাকরি হারিয়েছেন ৪ কোটি মানুষ
দক্ষিণ কোরিয়া এখন হ্যালোইন উৎসবে পদদলিত হয়ে ১৫৬ জন নিহতের ঘটনায় শোকাহত। ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীও তাদের সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে।
২০২২ সালে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন অন্য যে কোনো বছরের চেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছেন। পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে ২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। এসব কর্মসূচিতে অর্থায়ন বন্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও ধারাবাহিকভাবে বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে। কিন্তু সব নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া।