ভারতের মুম্বাইয়ে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল আফতাব এবং শ্রদ্ধা ওয়াকারের। তবে শ্রদ্ধার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় তারা দিল্লিতে পালিয়ে এসেছিল চলতি বছরের এপ্রিল নাগাদ। এরপরই মে মাসেই নাকি খুন করা হয়েছিল শ্রদ্ধাকে।
দিল্লির মেহুরাউলিতে একসঙ্গে থাকতেন আফতাব আমিন পুনাওয়ালা এবং তার প্রেমিকা শ্রদ্ধা। মেহরুলির সেই ফ্ল্যাটেই নতুন একটি ফ্রিজ কিনে সেখানে ‘ডেক্সটার’ (মার্কিন টিভি সিরিজের চরিত্র) ভঙ্গিতে শ্রদ্ধার মৃতদেহের ৩৫ টুকরো করে রেখেছিল আফতাব।
.png)
টানা ১৮ দিন যাবৎ শ্রদ্ধার মৃতদেহের অংশগুলো বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ফেলে এসেছিল আফতাব। এই ১৮ দিনের সময়কালে নিজের ফ্ল্যাটে একাধিক যৌনসঙ্গীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আফতাব। শ্রদ্ধাকে খুন করার পর একাধিক নারীর সঙ্গে ডেটিং অ্যাপে আলাপও করে আফতাব। তাদের সঙ্গে দেখাও করে এবং নিজেরই ফ্ল্যাটে তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কেও জড়িয়েছিল আফতাব। সেই সময় ফ্ল্যাটের এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা ফ্রিজেই ছিল শ্রদ্ধার দেহ।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, যে ১৮ দিন ধরে শ্রদ্ধার দেহের টুকরো আফতাব বিভিন্ন জায়গায় আফতাব ফেলে দিয়ে আসছিল, সেই সময়কালে অনেকেই তার ফ্ল্যাটে এসেছিল। তখন ফ্ল্যাটে রুম ফ্রেশনার দেওয়া থাকত। ধূপকাঠি জ্বলতো। এই আবহে কেউই এটা ভেবে উঠতে পারেনি যে ফ্ল্যাটে থাকা ফ্রিজে টুকরো টুকরো মৃতদেহ থাকতে পারে।