তবে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি ক্রমেই বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
পশ্চিমাদের বিশ্বাস, যুদ্ধে দ্রুত জয়লাভের পরিকল্পনা করেছিলেন পুতিন। তবে বুধবার মস্কোয় রাশিয়ার মানবাধিকার কাউন্সিলের বার্ষিক সভায় বক্তব্যকালে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে।
.png)
পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি ক্রমেই বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি লুকানো ভুল হবে। তবে রাশিয়া কোনো পরিস্থিতিতেই প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না এবং কাউকে হুমকিও দেবে না।
পুতিন বলেন, আমরা জানি পারমাণবিক অস্ত্র কী জিনিস। আমরা এ অস্ত্রটিকে রেজারের মতো সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে যাচ্ছি না।
তিনি আরো বলেন, অন্য কোনো দেশ বা অঞ্চলে আমাদের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন নেই। কিন্তু তুরস্ক ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে আমেরিকার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন আছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেন, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি কমে গেছে।
অবশ্য পুতিন আগেও বলেছিলেন, রাশিয়ার পারমাণবিক নীতিমালা কেবল প্রতিরক্ষার জন্যই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
এদিন সৈন্য সংখ্যার বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছন, গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডাকা তিন লাখ রিজার্ভ সৈন্যের মধ্যে প্রায় দেড় লাখ ইউক্রেনে মোতায়েন করা হয়েছে। যুদ্ধ ইউনিটে রয়েছে ৭৭ হাজার। বাকি দেড় লাখ সৈন্য এখনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রয়েছে।
পুতিন বলেন, রাশিয়া ‘নতুন অঞ্চল’ অধিগ্রহণের মাধ্যমে যুদ্ধে ‘উল্লেখযোগ্য ফলাফল’ অর্জন করেছে।
গত সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল- খেরসন, জাপোরিঝিয়া, লুহানস্ক ও দোনেস্ককে নিজেদের অংশ বলে ঘোষণা দেয় মস্কো। তবে রাশিয়ার এ অধিগ্রহণকে অবৈধ বলে নিন্দা করেছে ইউক্রেন ও জাতিসংঘের বেশিরভাগ সদস্য।