শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডিতে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাভিন রেড্ডি নামের ক্ষুদ্ধ এক যুবক নিজের সঙ্গে আরো ৪০ জনকে নিয়ে এসে এ কাণ্ড ঘটান।
.png)
অপহৃত তরুণীর নাম বৈশালী। তিনি পড়াশোনা শেষ করে সদ্যই দাঁতের ডাক্তারি পেশা শুরু করেছিলেন। তার সঙ্গে অপহরণকারী যুবকের পূর্ব পরিচয় ছিল।
পুলিশের কয়েক ঘণ্টা অভিযানে অবশ্য ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া এর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকেও আটক করা হয়েছে।
আরো পড়ুন>> নোবেলবিজয়ীদের হাতে উঠছে পুরস্কার
ওই তরুণীর বাবা-মা জানিয়েছেন, তাদের মেয়েকে উত্তক্ত্য করত নাভিন। তাদের বাড়ির পাশেই নাভিনের দোকান আছে। তাদের মেয়ে বৈশালীকে সে বিয়ে করেছে এমন দাবি করত সে। কিন্তু এরকম কিছু হয়নি। যখন তাদের মেয়ের অন্যত্র বিয়ে ঠিক হয় তখন নাভিন অনেক ক্ষুদ্ধ হয়। এর জেরে বাগদানের দিন প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে এসে সে বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে জোর করে বৈশালীকে তুলে নিয়ে যায়।
একটি সূত্র জানিয়েছে, অপহরণের শিকার হওয়া বৈশালীর সঙ্গে নাভিনের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু নাভিনকে বিয়ে করেনি বলে জানিয়েছে সে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’কে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বৈশালী একজন দন্ত চিকিৎসক এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মেয়ে। বৈশালীর সঙ্গে নাভিনের একটি ব্যাডমিন্টন কোর্টে পরিচয় হয় এবং তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। এমনকি বৈশালীকে নাভিন একটি গাড়িও কিনে দিয়েছিলেন।’
আরো পড়ুন>> কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেছেন, ‘পরবর্তীতে নাভিন বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু বৈশালী তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর নাভিন তাকে উত্তক্ত্য করা শুরু করেন। এ নিয়ে বৈশালী পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানান।’
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেছেন, ‘শুক্রবার বৈশালীর আরেক ব্যক্তির সঙ্গে বাগদান ছিল। ওই সময়টাকে লক্ষ্য করে নাভিন তার লোকদের নিয়ে বৈশালীর বাড়ি-ঘর, গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং তাকে তুলে নিয়ে যায়। যদিও পরবর্তীতে অপহরণকারীরাই আবার বৈশালীকে ছেড়ে দেয়।