এদিকে মৃতের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, রুবিয়া টনির চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। তা ছাড়া একাধিক পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিলো টনি। সম্প্রতি তার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে ফের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। তার সঙ্গেই ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপনের সিদ্ধান্ত দেন তিনি। টনিকে বাধা দেন বর্তমান স্ত্রী রুবিয়া। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রুবিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন টনি।
নিহতের বাবা রাকিব বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের ওপর অত্যাচার করত টনি। সম্প্রতি ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে ভ্যালেন্টাইনস ডে কাটাতে চায় টনি। আমার মেয়ে তাতে বাধা দিয়েছিল। সেকথা ও ফোনে আমাদের জানায়। তার পর খবর পাই মেয়ে খুন হয়েছে। এসে দেখি মেঝেয় পড়ে মেয়ের দেহ। জামাইয়ের পরকীয়ায় বাধা দেওয়াতেই আমার মেয়েকে খুন করেছে। আমি পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছি।
.png)
খবর পেয়ে করিমপুর থানার পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অভিযুক্ত মো. টনি মণ্ডল পলাতক। তার খোঁজ করছে পুলিশ।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস