ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

লিবিয়া থেকে নিখোজ প্রায় আড়াই টন ইউরেনিয়াম

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:২১, ১৬ মার্চ ২০২৩
লিবিয়া থেকে নিখোজ প্রায় আড়াই টন ইউরেনিয়াম
ফাইল ছবি

লিবিয়ার একটি স্থান থেকে আনুমাণিক ২ দশমিক ৫ টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম নিখোজ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।  সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রোসি গতকাল বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশটির সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই এমন একটি সাইট থেকে প্রায় আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম হারিয়ে গেছে।  এ ব্যাপারে এখন পযর্ন্ত কোনো সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।  গত বছর ওই স্থানে পরিদর্শনের পরিকল্পনা থাকলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করতে হয়েছিল।  পরে গত ১৪ মার্চ স্থানটি পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা।

বুধবার আন্তর্জাতিক পারমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে একটি গোপনীয় বিবৃতি দেন।

Advertisement

আইএইএ পরিদর্শকরা আনুমানিক আড়াই টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ধারণকারী ১০টি ড্রাম নির্ধারিত স্থানে পাননি।  অপসারিত ইউরেনিয়াম কোথায় রয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

আরো পড়ুন>> ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত তুরস্কে এবার আকস্মিক বন্যা, ১৪ জনের মৃত্যু

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইউরেনিয়ামের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে অজ্ঞতা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, পাশাপাশি পরমাণু নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করে।

ওই স্থানের ব্যাপারে বিস্তারিত উল্লেখ না করে বিবৃতিতে বলা হয়, সেখান থেকে পরমাণু উপকরণ সরিয়ে ফেলার বিষয় খোলাসা করতে এবং এ সকল বিষয়ের বর্তমান অবস্থান বিস্তারিতভাবে জানতে আরো কার্যক্রম চালাবে আইএইএ।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে লিবিয়ার তৎকালীন নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি দেশটির পারমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করে দেন।  তিনি ২০১১ সালে ন্যাটো সমর্থিত গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। 

মঙ্গলবার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষকরা এ বিষয়টি জানতে পারেন।  জাতিসংঘের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ সালের প্রথমদিকে লিবিয়ায় একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয় এবং তাদের ওই বছরের ডিসেম্বর নির্বাচন আয়োজন করে সরে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ওই নির্বাচন আর অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এ সরকারের বৈধতাও বিতর্কিত হয়ে পড়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!