তিনি বলেন, ‘আমরা জান্তার ওপর চাপ বাড়াতে এবং তাদের জন্য রাজস্ব তৈরি করা কঠিন করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা যুদ্ধের রণকৌশলে জ্বালানি যোগাচ্ছে। মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার পথে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ৮০ জন ব্যক্তি ও ৩০ টিরও বেশি সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো সরকারের কর্মকর্তা, কোম্পানি ও অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। মিয়ানমার সংঘাতের সমাধান দেখতে হলে রাশিয়াকে জান্তা সরকারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।
.png)
আরো পড়ুন>> রুশ আকাশসীমায় মার্কিন যুদ্ধবিমান রুখে দিল রাশিয়া
তিনি আরো বলেন, ‘জান্তা যেন আর অস্ত্র আমদানি করতে না পারে, সে অনুযায়ী একটি বড় পদক্ষেপ নেবো আমরা।’
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী তার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার সময় গ্রেফতার হন নোবেল বিজয়ী সু চি। সে সময় জান্তা সরকার ক্ষমতা দখল করলেও দেশটির সিংহভাগ জনগণ বিষয়টি মেনে নেয়নি। রাস্তায় বিক্ষোভ, সরকারি কাজকর্ম বয়কটসহ সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে দেশটির বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। এখনো প্রায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও জান্তা বাহিনীর সদস্যদের লড়াইয়ের খবর পাওয়া যায়।
মিয়ানমারে সেনা অভূত্থানের পর সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকে। অভিযান চালিয়ে অনেককে আটকের অভিযোগ ওঠে। দেশটির সেনাদের নির্যাতনে ঘরছাড়া হয়েছেন বহু মানুষ। শুধু তাই নয়, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে মিয়ানমারের অর্থনীতি।
সূত্র: রয়টার্স