ফাউন্ডেশনের দাবি, জোনাথন এম নামের এই ‘ডোনার’ কেবল দেশি নয়, অনেক বিদেশি নারীদেরও সন্তান লাভের সুখ দিয়েছেন।
তবে সম্প্রতি সেই যুবকের এক সন্তানের মা আদালতে তার এই শুক্রাণু দান নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তার সন্তানের মা আদালতে গিয়ে বলেছেন, ঐ যুবককে আর শুক্রাণুদানের অনুমতি যেন না দেওয়া হয়।
.png)
নারীর দাবি, যুবকের এই কাজের ফলে সন্তানের বিকলাঙ্গ হওয়ার এবং মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে জন্ম নেয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডের স্বাস্থ্য নির্দেশিকা অনুসারে, একজন শুক্রাণুদাতা সর্বোচ্চ ২৫ সন্তানের বাবা হতে পারেন। তবে এর বেশি করলেও তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না।