২০২০ সালে ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৮ জানুয়ারী কিয়েভের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নের পরপরই দুটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গুলি করে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছিল।
ইরানি কর্মকর্তারা তখন এ ঘটনাকে একটি ‘বিপর্যয়কর ভুল’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
.png)
ভূপাতিত করা যাত্রীবাহী ফ্লাইট পিএস৭৫২ বিমানে থাকা ১৭৬ জন নিহত হয়েছিলো। দুর্ঘটনায় নিহতদের বেশিরভাগই ছিল এই চারটি দেশের নাগরিক। তাই দেশগুলো ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে সমন্বয় করে কাজ করছে।
মামলার আবেদনে বলা হয়, ইরান মন্ট্রিল কনভেনশন না মেনে বেসামরিক বিমান নিরাপদে চলাচলের আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে। এ ছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে পদক্ষেপ না নেয়াসহ দায়ীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে দেশটি।
মামলায় আরো বলা হয়, দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি ইরান। এ ছাড়া অন্যান্য আইনেরও তোয়াক্কা ছিল না দেশটির।
বিমান দুর্ঘটনাটি এমন একটি সময় হয়েছিলো, যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্ব প্রকট। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভেবে আক্রমণ করেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, এপ্রিলে ইরানের একটি আদালত এই ঘটনায় অভিযুক্ত ১০জন ব্যক্তিকে প্রাথমিক সাজা দিয়েছে যারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপারেটরে কর্মরত ছিলো।
এছাড়া ইরান জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য দেড় লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং গত বছর ক্ষতিপূরণ দেয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।