স্টিভেন বার্টলেটের ‘ডায়েরি অব সিইও’ পডকাস্টে জনসন বলেন, ৪৫ বছর বয়সে ১৮ বছরের তারুণ্যে থাকতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেন তিনি। যার পরিমাণ বছরে ২০ লাখ ডলার।
বর্তমানে সিঙ্গেল আছেন উল্লেখ করে জনসন জানান, তার খেয়ালীপনা মেনে নিয়ে সম্পর্কে থাকবেন এমন সঙ্গী পাওয়া সহজ না।
.png)
জনসনকে তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ কঠিন নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যেমন রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া, প্রতিদিন সকালের নাশতায় ২ হাজার ২৫০ ক্যালরি খাওয়া এবং চার থেকে পাঁচ ঘন্টা ধ্যান করা। এ ছাড়া কোনো ধরনের মদ্যপান করেন না জনসন। আর দিনে ১১১টি ওষুধ খেতে হয় তাকে।
মার্কিন এই ধনকুবের বলেন, তার কঠোর জীবনযাপনের কারণে কারও সঙ্গে সম্পর্কে যেতে পারছেন না তিনি। ঘুমকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে সঙ্গীর সঙ্গে বিছানা ভাগ করা সম্ভব না।
ব্যাপারটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে জনসন বলেন, ‘আমি ঘুমকে সবচেয়ে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমি তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাই, ঘুম থেকে উঠিও তাড়াতাড়ি। আমি কোনো ধরনের অ্যালকোহল পান করি না। অতিরিক্ত ক্যালরি এড়াতে মদ্যপান বন্ধ করে দিয়েছি।’
গেল ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জনসন এবং তার তারুণ্য ধরে রাখার কঠোর অধ্যাবসায় নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে। ওই নিবন্ধে জনসন দাবি করেন, প্রতিদিনের নিয়ম মেনে তিনি ১৮ বছর বয়সী একজন তরুণের মতো ফুসফুসের শক্তি এবং শারীরিক সক্ষমতা, ৩৭ বছর বয়সী ব্যক্তির মতো সুস্থ হার্ট এবং ২৮ বছরের মানুষের মতো ত্বক ধরে রাখতে পেরেছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট