বিভিন্ন সূত্রের বরাতে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম বলেছিল, প্রিগোজিনের বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের মুখপাত্র জেনারেল প্যাট রাইডার বলেছিলেন, প্লেনে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কোনো আলামত তারা পাননি।
এছাড়া তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিমানের ভেতর কী কোনো বোমা স্থাপন করা হয়েছিল? যেটি বিস্ফোরিত হয়ে এটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এ প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।
.png)
তবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন প্রিগোজিনকে বহনকারী বিমানটি ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো বিস্ফোরণে’ বিধ্বস্ত হয়েছে। সন্দেহ বাড়ছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ ঘটনার মূলে ছিলেন।
পরিচয় গোপন রাখার সূত্রে মার্কিন এ গোয়েন্দা সূত্রটি বলেছে, তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে প্রিগোজিনকে ‘টার্গেট’ করা হয়েছিল এবং যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেটি পুতিনের ‘সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার’ লম্বা ইতিহাসের অংশ।
তবে এই সূত্রটি জানায়নি কীভাবে প্লেনে বিস্ফোরণ হলো।
অনেকের বিশ্বাস, গত জুনে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে তিনি যে বিদ্রোহ করেছিলেন, সেটিরই প্রতিশোধের অংশ হিসেবে তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রিগোজিনের কয়েকজন লেফটেনেন্টও নিহত হয়েছেন।
প্রিগোজিনের বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার আগে কেউ একজন সেটির ভিডিও ধারণ করেন। এতে দেখা যাচ্ছিল, বিমানটি ঘুরতে ঘুরতে খাড়াখাড়িভাবে নিচে পড়ে যাচ্ছে। এছাড়া বিমানটির পাখাসহ কিছু অংশ ছিল না। এতে বোঝা যাচ্ছিল মাটিতে আছড়ে পড়ার আগে বিমানটিতে আঘাত হানা হয়েছিল।
সূত্র: আল-জাজিরা