ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঐ দম্পতি একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। স্ত্রী ছেলের যে নাম রাখতে চান, তা কিছুতেই মানতে রাজি নন স্বামী। আবার স্বামীর রাখা নাম পছন্দ নয় স্ত্রীর। এই অবস্থায় শিশুটির কোনও নাম দেওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু সরকারি শংসাপত্রের জন্য নাম জরুরি।
এ অবস্থায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শিশুটির মা। মামলার শুনানিতে আদালত বলেন, শিশুর কল্যাণ, তার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল তথা সামাজিক নিয়মের জন্য এবং বাবা-মায়ের স্বার্থের কথা ভেবে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। এরইমধ্যে নামের অভাবে শিশুটি স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি।
.png)
হাইকোর্টে শিশুটির মা জানান, ছেলের নাম তিনি রেখেছিলেন ‘পুণ্য’। ঐ নামে শিশুটির জন্ম শংসাপত্র তৈরির আবেদন জানান তিনি। অন্যদিকে আদালত জানতে পারে শিশুটির বাবা তার নাম রাখতে চান ‘পদ্ম’। শুনানি শেষে আদালত শিশুটির নাম রাখে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, সরকারি সার্কুলার এবং বিভিন্ন উদাহরণ টেনে আদালত বলে মায়ের প্রস্তাবিত নামকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। তারপর মায়ের দেওয়া ‘পুণ্য’ নামটিই চূড়ান্ত করেন বিচারপতি। আর শিশুটির পদবি হচ্ছে তার বাবার দেওয়া নাম। অর্থাৎ শিশুটির নাম হয় ‘পুণ্য পদ্ম’।