চলতি বছরের ২৩ আগস্ট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন নিহত হন। ওই ঘটনায় ওয়াগনারের আরো দুই শীর্ষ নেতা, প্রিগোজিনের চার দেহরক্ষী ও তিনজন ক্রুও নিহত হন। বিমানটি সেন্ট পিটার্সবার্গে যাওয়ার পথে মস্কোর উত্তরে বিধ্বস্ত হয়।
ঘটনার পরপরই মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেন, বিমানটিকে ভূপাতিত করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ওয়াগনারপ্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
.png)
এদিকে বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সোচি শহরের ব্ল্যাক সি রিসোর্টে ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের এক বৈঠকে পুতিন দাবি করেন, বিমানটি ভেতর থেকে বিস্ফোরিত হয়েছে। বাইরে থেকে হামলা হয়নি। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির প্রধান কয়েক দিন আগে তাকে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন।
পুতিন বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাদের শরীরে হ্যান্ড গ্রেনেডের টুকরা পাওয়া গেছে।’
পুতিন বলেন, বিমানটিতে বাইরে থেকে কোনো হামলা হয়নি। এটা নিশ্চিত। বিমানের ভেতরে কীভাবে গ্রেনেড বিস্ফোরিত হলো, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি পুতিন। তবে তিনি মনে করেন, ওই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের শরীরে মাদক পরীক্ষা না করে তদন্তকারীরা ভুল করেছেন।
পুতিন বলেন, ‘আমার মতে, এ ধরনের পরীক্ষা চালানো দরকার ছিল, কিন্তু তা চালানো হয়নি।’
রুশ প্রেসিডেন্ট আরো বলেছেন, নিরাপত্তা সংস্থা এফএসবির সদস্যরা সেন্ট পিটার্সবার্গে ওয়াগনারের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেখান থেকে নগদ এক হাজার কোটি রুবল এবং পাঁচ কেজি কোকেন উদ্ধার হয়েছে।
ওয়াগনারপ্রধানের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তদন্তকারীরা এখনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেননি।
সূত্র: আল-জাজিরা