গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বাহিনীর এই হামলাকে ‘হত্যাযজ্ঞ’ ও ‘ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছে আল জাজিরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের জঘন্য ও নির্বিচার বোমা হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে আল জাজিরা। এই হামলায় আমাদের এসএনজি ইঞ্জিনিয়ার মোহামেদ আবু আল-কুমসানের পরিবারের ১৯ সদস্য নিহত হয়েছেন।
.png)
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর এমন ক্ষমার অযোগ্য হামলায় মোহামেদের বাবা, দুই বোন, আট ভাগনে এবং ভাতিজি, তার ভাই, তার ভাইয়ের স্ত্রী এবং তাদের চার সন্তান, তার ভগ্নিপতি এবং এক চাচা নিহত হয়েছেন।
এদিকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বোমা হামলা চালানোর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে শিকার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিচার্ড হেচট। সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে তিনি বলেন, সেই এলাকায় হামাসের একজন সিনিয়র কমান্ডার লুকিয়ে ছিলেন। আমরা তাকে খুঁজছি এবং সেখানে কী ঘটেছে তা জানার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন তথ্য হাজির করতে পারব।
গত ৭ অক্টোবর সকালে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এ হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলও যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাসের বিরুদ্ধে। এর পর থেকেই দফায় দফায় গাজায় বিমান ও স্থল হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।