দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ ঘাঁটি থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে স্যাটেলাইটটি। এটি সফলভাবে কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে।
২০২৫ সালের মধ্যে মহাকাশে চারটি গোয়েন্দা স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার। পুরো উত্তর কোরিয়াকে নজরদারির আওতায় নিয়ে আসতেই এ পরিকল্পনা তাদের।
.png)
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪০০-৬০০ কিলোমিটার দূরের কক্ষপথে স্থাপনের পর কৃত্রিম উপগ্রহটির সাহায্যে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত আকারের বস্তু শনাক্ত করা যাবে।
ছবির মান এবং পৃথিবীর কোনো বস্তুর ওপর নজর রাখার সক্ষমতার দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পাঁচ গোয়েন্দা স্যাটেলাইটের মধ্যে রয়েছে এটি।
উত্তর কোরিয়া গোয়েন্দা স্যাটেলাইট উক্ষেপণের দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সিউল একই কাজ করলো। এর আগে তারা যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা উপগ্রহের ওপর নির্ভর করতো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কক্ষপথে একটি কার্যকর স্যাটেলাইট স্থাপন করে উত্তর কোরিয়া তাদের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা উন্নত করেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়া এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে তাদের।