বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় দুই দেশ একে অপরের বন্দীদের মুক্তি দেয়।
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক নেতা মাদুরোর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাব। তার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।
.png)
বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, অ্যালেক্সকে মুক্তি দেওয়া সিদ্ধান্ত নেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জন্য বেশ কঠিন ছিল।
অন্যদিকে ভেনেজুয়েলা যে ১০ মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছেন, তাদের মধ্যে লিওনার্দ ফ্রান্সিস রয়েছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর দুর্নীতিতে তার নাম রয়েছে। এদিন ভেনেজুয়েলা আরো ২০ জন রাজনৈতিক বন্দিকেও কারামুক্ত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলার বামপন্থী সরকারের ওপর চাপ কমানোর কৌশল বেছে নিয়েছে ওয়াশিংটন। মূলত মাদুরো সরকার গণতান্ত্রিক কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করায় মার্কিন প্রশাসন অনেকটাই নমনীয় আচরণ করছে। এমনকি দীর্ঘদিনের জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা গত অক্টোবরে শিথিল করতে সম্মত হয় ওয়াশিংটন।
চলতি বছরের শুরুতে ইরানের সঙ্গে বন্দি বিনিময় করে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এখন ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাইডেন বলেন, বেআইনিভাবে যেসব মার্কিন আটক রয়েছে, আমরা তাদের মুক্ত করছি। সেই সঙ্গে আমরা ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি চুক্তি করেছি। ভেনেজুয়েলা অবাধ নির্বাচন আয়োজন করবে।