রোববার (২৪ ডিসেম্বর) ইরানের দক্ষিণ-পূর্ব বন্দর নগরীতে ইরানি সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি, ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এবং অন্যান্য সিনিয়র সামরিক ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নৌবাহিনীকে নতুন অস্ত্র সরবরাহ করা হয়।
নতুন অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে তালায়েহ কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, নাসির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ সামরিক হেলিকপ্টার। এছাড়াও নৌবাহিনীকে আটটি লঞ্চারসহ সারফেস-টু-সারফেস মিসাইল সিস্টেম, জামারান ডেস্ট্রয়ারে বসানো সানজার স্মার্ট লোটারিং ও সুইসাইড ড্রোন, ইলেকট্রনিক ওয়্যারফেয়ার ও নজরদারি অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত একটি বহুমুখী ড্রোন সিস্টেম, ডুবুরি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং বন্দরে ব্যবহৃত সিরভান টাগবোটও সরবরাহ করা হয়েছে।
.png)
এদিকে ভূমধ্যসাগর বন্ধের হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন কমান্ডার। গাজায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ‘অপরাধ’ বন্ধ না করলে ভূমধ্যসাগর বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার মোহাম্মাদ রেজা নাকদি। তবে কী ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর বন্ধ করে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
অন্যদিকে ভারতের গুজরাট উপকূলে একটি রাসায়নিকবাহী ট্যাংকারে যে ড্রোন হামলা হয়েছে, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: রয়টার্স