রোববার (৩ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১৪।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ‘ড্যানিয়েল হ্যাগারির সেকেন্ড ইন কমান্ড মোরান কাটজসহ আরো কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গাজা যুদ্ধের কারণে নিজেদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।’
.png)
‘পদত্যাগকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন জেনারেল রিচার্ড হেসিট। যিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিদেশি সংবাদমাধ্যমের মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন।’ যোগ করে সংবাদমাধ্যমটি।
গাজা যুদ্ধ এবং এটি সংঘটিত করা নিয়ে ইসরায়েলি সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরাজমান ফাটল সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ পেয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ শেষে গাজায় কি হবে— ইসরায়েলি সরকারের এ বিষয়ে যে পরিকল্পনা রয়েছে সেটি নিয়ে খুশি নয় সেনাবাহিনী।
গত ৭ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। ওই হামলার পরপরই গাজায় ব্যাপক হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা।
তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো প্রায় ৭০ হাজারের বেশি মানুষ।
দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় বর্তমানে গাজার ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। এছাড়া খাদ্য সংকটেও পড়েছেন তারা।
প্রয়োজনীয় খাবার না পাওয়ায় গাছের পাতা, পশুপাখির খাবার এমনকি ঘোড়া জবাই করে খাচ্ছেন তারা।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইসরায়েলকে নির্দেশ দেয়, গাজায় যেন কোনো ধরনের যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছতে দেওয়ার ব্যাপারেও নির্দেশনা দিয়েছিলেন আদালতের বিচারকরা।
তবে আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাধায় গাজায় ত্রাণ যাচ্ছে না। ফলে ছোট-বড় সবাই খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি