ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

থাই সীমান্ত সেতুর নিয়ন্ত্রণ হারাল মিয়ানমার বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০৫, ১২ এপ্রিল ২০২৪
থাই সীমান্ত সেতুর নিয়ন্ত্রণ হারাল মিয়ানমার বাহিনী
ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের সেনাশাসিত সরকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে লড়াই করছে। জান্তা বাহিনী সীমান্ত অঞ্চলের অনেকগুলো লড়াইয়ে পরপর পরাজয় বরণ করেছে। গত কয়েক মাসে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু শহরের দখলও নিয়ে নিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো। সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে তারা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। 

একের পর এক সেনাঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিচ্ছে কেএনইউ, আরাকান আর্মিসহ অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যোদ্ধারা। জান্তাবিরোধী বিদ্রোহী বাহিনীর সঙ্গে কয়েকদিন ধরে চলা লড়াইয়ে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এক শহরকে সংযুক্ত করা একটি সেতুর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী।

মিয়ানমারের মায়াওয়াদ্দি শহরটির অবস্থান থাইল্যান্ডের ম্যাসো শহরের কাছাকাছি। স্থানীয় গণমাধ্যম ও একটি জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর মুখপাত্র জানিয়েছে- এই সেতুটি মিয়ানমারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে সংযুক্ত। সেতুটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা সরকার।

এই শহরটিতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ)। পালিয়ে যাওয়া প্রায় ২০০ জান্তা সেনা থাইল্যান্ডের সীমান্ত ক্রসিংয়ে জড়ো হয়েছে বলে জানিয়েছে কেএনইউয়ের মুখপাত্র স তাও নি। এখন পর্যন্ত জান্তা সেনাদের আশ্রয় দেয়নি থাই সরকার। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স মিয়ানমার জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে জানতে চাইলে তারা কোনো সারা দেয়নি।

এর কিছুদিন আগে কেএনইউ জানিয়েছিল, তারা মায়াওয়াদ্দিতে একটি সেনাঘাঁটিতে আক্রমণ চালিয়ে সেখানে থাকা ৬০০ সেনা ও তাদের পরিবারকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষায় সামরিক শক্তি জোরদার করেছে থাইল্যান্ড।

মিয়ানমারের জান্তা ও সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যকার লড়াইয়ে জান্তা সরকারের অবস্থান অনেকটাই নড়বড়ে। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে সেনারা।

এ নিয়ে গত ২২ দিনে রাজ্যটিতে ৬০টির বেশি সেনাঘাঁটির দখল নিল বিদ্রোহীরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: মিয়ানমার
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!